Sharmila Tagore pet dogs: তিনটি ছেলেমেয়ে থাকতেও বৃদ্ধ বয়সে দেখে না কেউ, রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া দুই সন্তান শর্মিলা ঠাকুরের আপনজন
ছোট থেকে বড় আদর-যত্নে সন্তানকে মানুষ করে বাবা-মা। কিন্তু সেই সন্তান যখন কাজের চাপে আলাদা হয়ে যায়, বা বাবা-মায়ের থেকে পৃথক থাকতে শুরু করে, তখন বড় কষ্ট হয়। অনেক বাবা-মার তো ঠাঁই হয় বৃদ্ধাশ্রমে। জীবন সায়হ্নে এসে যখন সন্তান-সন্ততিদের নিয়ে আনন্দে থাকার কথা, তখন নিঃসঙ্গতা হয়ে যায় অবলম্বন। বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর (Sharmila Tagore) এখন সেই জীবন সত্য ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন। পতৌদি নবাব বংশের বেগম তিনি। যদিও স্বামী মনসুর আলি খান প্রয়াত হয়েছেন আজ থেকে দশ বছর আগে। শর্মিলা ঠাকুরের তিনটি সন্তান। বড় ছেলে সইফ আলি খান, দুই মেয়ে সোহা ও সাবা আলি খান। এতগুলি সন্তান থাকা সত্ত্বেও এই বয়সে এসে শর্মিলা ঠাকুরকে একা থাকতে হচ্ছে।
কেন একা শর্মিলা ঠাকুর ?
আসলে তিনটি সন্তান তাঁদের নিজের নিজের জীবনে ব্যস্ত। তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হলেও বর্তমানে দিল্লিতে একাই থাকেন শর্মিলা ঠাকুর। এই নিয়ে সাম্প্রতিক একটি ইন্টারভিইয়ে শর্মিলা ঠাকুর জানান, তাঁর ছেলেমেয়েরা জীবনে ভীষণ ব্যস্ত। তাই তিনি একাই থাকেন। তবে বুড়ো বয়সে তিনি একা থাকলেও সম্পূর্ণ একা নন। ছেলেমেয়েদের থেকেও আপনজন কেউ আছে তাঁর। তারা কারা ?সাক্ষাৎকারে নিজের দুই সন্তান সম্পর্কে মুখ খুলেছেন শর্মিলা ঠাকুর। তিনি জানিয়েছেন, হাইওয়ে থেকে তাদের কুড়িয়ে পেয়েছিলেন তিনি। আসলে মেয়ে সোহা তাদের রাস্তা থেকে নিয়ে এসেছিলেন। তারপর থেকে পরম যত্নে তাদের লালন-পালন করেছেন তিনি। নাম রেখেছেন নিমকি আর মিষ্টি। আপন ছেলেমেয়েরা দূরে থাকলেও নিমকি আর মিষ্টি কখনও মাকে ছেড়ে যায় না। বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ‘আমি যেহেতু দিল্লিতে থাকি, তাই সবার সঙ্গে দেখা হয় না। সইফ সংসার নিয়ে মুম্বাইয়ে থাকে। সোহাও মুম্বাইয়ে থাকে। সাবা তাঁর গয়নার ডিজাইন নিয়ে ব্যস্ত। আমি নিজের মতো বেঁচে আছি। তবে সবথেকে বড় কথা আমার সঙ্গে দুজন থাকে। ওরা চারপেয় (pet dogs)। নিমকি আর মিষ্টি। সোহা ওদের হাইওয়ে থেকে রেস্কিউ করে নিয়ে এসেছিল’।
শর্মিলা ঠাকুর জানিয়েছেন, ‘আমি ওদের পরিবার বলেই মনে করি। ওরা আমার কাছে সব সময় থাকে। বেশ সময় কেটে যায়। ওরাই আমার সবথেকে প্রিয়। ওদের নিয়েই আমার সংসার’। স্বামীর মৃত্যুর পর ছেলেমেয়েদের থেকে দূরে থাকলেও শর্মিলা ঠাকুরের অসুবিধা হয় না দুই পোষ্যের জন্য।
READ MORE: অন্ধকার গলির ছেলে নাকি হিরো, মিঠুনের ছবি ছিঁড়ে ফেলে দেন পরিচালক
No comments:
please do not enter any spam link in the comment box