Bollywood playback singer Altaf raja: এক গানেই খ্যাতির শীর্ষে, দর্জি থেকে গায়ক হওয়া আলতাফ রাজা এখন উধাও
ভারতীয় সিনেমার সঙ্গে গান ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। গান ছাড়া সিনেমা কল্পনা করতে পারেন না দর্শকরা। নানা ধরণের গান ব্যবহার হয়। কারণ, ভারতের মাটিতে সুর আর ছন্দের কোনও অভাব নেই। সেই সব মণিমুক্তো তুলে এনে সিনেমাতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সঙ্গীত পরিচালকরা। যার মধ্যে কাওয়ালি গান অন্যতম। আর সেই গানের গায়ক হিসেবে শুধু নাম নয়, রীতিমতো প্রভাব বিস্তার করেছিলেন আলতাফ রাজা। মাত্র একটি গান আলতাফকে কাওয়ালির ‘রাজা’ করে তুলেছিল। শুধু নিজস্ব অ্যালবাম নয়, সিনেমাতেও গান গেয়েছেন। রাতারাতি স্টার হওয়া যাকে বলে আলতাফ রাজা তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। কিন্তু সেই রাজার রাজ্যপাট একদিন অস্তাচলে গেল। ধীরে ধীরে বলিউড (Bollywood) থেকে হারিয়ে গেলেন তিনি। পিছনে কারণ কী ছিল ? আজকের প্রতিবেদনে সেই দিক উল্লেখ করব।
মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে ‘শপথ’ ছবিতে প্রথম গান গেয়েছিলেন (playback singer Altaf raja)। গানের দৃশ্যে মিঠুনের সঙ্গে কোমরও দোলান। এছাড়া, তিরছি টোপিওয়ালে, চণ্ডাল, মর্দ, যমরাজ ইত্যাদি বেশ কিছু ছবিতে গান গেয়েছিলেন। সিনেমা হিট না হলেও গান বেশ হিট করত। কিন্তু সময় বদলাছিল। ২০০০ সালের পর থেকে হিন্দি সিনেমাতে কাওয়ালি গানের প্রভাব কমতে শুরু করে। তবুও অভিনয়ের প্রস্তাব পেতেন তিনি। রাজি না হওয়ায় তাঁকে দিয়ে গান গাওয়াতে আর রাজি হতেন না প্রযোজকরা। এইভাবে ধীরে ধীরে উধাও হতে থাকেন আলতাফ রাজা। এখন সিনেমাতে গান না গাইলেও দেশে-বিদেশে মঞ্চে গান গেয়ে আয় করেন তিনি।
গান প্রথম প্রেম
১৯৬৭ সালে ১৫ অক্টোবর মহারাষ্ট্রের নাগপুরে জন্ম আলতাফের। তাঁর বাবা-মা দুজনেই কাওয়ালি গান করতেন। একটি গানের অনুষ্ঠান থেকে দুজনের আলাপ। সেখান থেকে প্রেম। তারপর শাদি। আলতাফের বাবা চেয়েছিলেন, ছেলে পড়াশোনা করে বড় কোনও চাকরি করুক। তাই নাগপুর থেকে তাঁকে মুম্বাই পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ে বাড়ি ফিরে যান আলতাফ। লেখাপড়া তাঁর ভালো লাগত না। বরং গান বেশি টানত। কোনও রকমে নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ে আর এগতে পারেননি। বাবা-মা তাঁকে জামা-কাপড় সেলাই করা শেখানোর ক্লাসে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। সেখানেও মন টেকেনি। মাকে আলতাফ রাজা জানান, তিনি গান শিখতে চান। শুরু হল তালিম। প্রথমে হারমোনিয়াম বাজানো শিখলেন। তারপর মায়ের সঙ্গে স্টেজে বসে কোরাসে গাইতেন। ছেলের আগ্রহ দেখে মা পরামর্শ দিয়েছিলেন, আলতাফ যেন কাওয়ালিকেই নিজের কেরিয়ার হিসেবে বেছে নেন। বাস্তবে সেটাই ঘটল।তুম তো ঠেহরে পরদেশী
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন শুরু করেন তিনি। দরাজ কণ্ঠস্বর মানুষের মন ছুঁয়ে যেত। এইভাবে জনপ্রিয় হতে শুরু করেন। ৯০ দশকে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গানের অ্যালবাম ‘তুম তো ঠেহরে পরদেশী’। এই গানের জেরে রাতারাতি সারাদেশে জনপ্রিয়তা পান তিনি। জনপ্রিয়তা দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও পৌঁছে গিয়েছিল। একদিনের মধ্যে ৭০ লক্ষ ক্যাসেট বিক্রি হয়। গিনিস বুকে নাম ওঠে অ্যালবামের। তারপর শুধুই এগিয়ে চলা। সিনেমার নির্মাতারা আফতাবের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতে এগিয়ে আসেন। বিভিন্ন সিনেমাতেও গান গাইতে শুরু করেন আলতাফ। শুধু কণ্ঠদান নয়, অভিনয়ও করতেন সেই সব গানের সঙ্গে।মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে ‘শপথ’ ছবিতে প্রথম গান গেয়েছিলেন (playback singer Altaf raja)। গানের দৃশ্যে মিঠুনের সঙ্গে কোমরও দোলান। এছাড়া, তিরছি টোপিওয়ালে, চণ্ডাল, মর্দ, যমরাজ ইত্যাদি বেশ কিছু ছবিতে গান গেয়েছিলেন। সিনেমা হিট না হলেও গান বেশ হিট করত। কিন্তু সময় বদলাছিল। ২০০০ সালের পর থেকে হিন্দি সিনেমাতে কাওয়ালি গানের প্রভাব কমতে শুরু করে। তবুও অভিনয়ের প্রস্তাব পেতেন তিনি। রাজি না হওয়ায় তাঁকে দিয়ে গান গাওয়াতে আর রাজি হতেন না প্রযোজকরা। এইভাবে ধীরে ধীরে উধাও হতে থাকেন আলতাফ রাজা। এখন সিনেমাতে গান না গাইলেও দেশে-বিদেশে মঞ্চে গান গেয়ে আয় করেন তিনি।



No comments:
please do not enter any spam link in the comment box