অভিনেত্রী সোমিন আলির কথা মনে পড়ে ? যারা সলমান খানের সিনেমা মন দিয়ে দেখেন, তাঁদের কাছে নামটি অবশ্যই পরিচিত। তবে তিনি নায়িকা হিসেবে নয়, ভাইজানের প্রেমিকা হিসেবে বেশি নাম করে ছিলেন। পাকিস্তানের করাচীতে জন্ম। ছোটবেলায় সলমান খানের ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ দেখে প্রেমে পড়ে যান। ঠিক করেন জীবনে একবার সলমান খানের সঙ্গে দেখা করতে হবে। আর সেই ভেবেই ১৬ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে মুম্বাই আসেন। তারপর সোমি আলির উত্থান অনেকটা সিনেমার মতো। নায়কের প্রেমে বাড়ি ছেড়ে শেষে তিনি হয়ে গেলেন নায়িকা। মডেলিং থেকে শুরু করে সিনেমায় পা রাখেন। প্রেম শুরু হল সলমান খানের (Salman khan and Somy Ali) সঙ্গে। কিন্তু যাঁর প্রতি একসময় ছিল তীব্র প্রেম। আজ তাঁর প্রতি শুধু ঘৃণা। কিন্তু কেন ? তার কারণ সোশ্যাল সাইটে দিয়েছেন অভিনেত্রী।
১৯৯১ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত একাধিক সিনেমায় কাজ করেছিলেন সোমি আলি। মিঠুন চক্রবর্তী থেকে শুরু করে সইফ আলি খান। একাধিক নায়কের সঙ্গে কাজ করেছেন। আট বছর ধরে প্রেম ছিল সলমান খানের সঙ্গে। এই আট বছর তাঁর জীবনের সবথেকে ভয়াবহ দিন ছিল বলে সম্প্রতি সোশ্যাল সাইটে লিখেছেন প্রাক্তন অভিনেত্রী। এর আগে তিনি লিখেছিলেন, ঐশ্বর্য রাইয়ের জন্য সলমান খানের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়। ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবির শ্যুটিং শেষ হওয়ার আগেই তাঁরা ডেট করতে শুরু করেন। সলমানের সঙ্গে প্রেম ভাঙার পর আমেরিকা ফিরে যান সোমি। আর কোনওদিন বলিউড মুখো হননি।
প্রেম চলাকালীন সলমানের হাতে প্রবল অত্যাচারিত হয়েছিলেন তিনি। যা আজও ভুলতে পারেননি। সেই ক্ষোভ সমাজমাধ্যমের পাতায় উগরে দিয়েছেন সোমি। তিনি লিখেছেন, ‘আমাকে পোস্টগুলি সরিয়ে ফেলতে বলা হবে। আমার বিচক্ষণতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। আমি মদ খাই, এইসব লেখা হবে। কিন্তু আপনাদের অত্যাচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি। সেসব আপনাদের ভুগতে হয়নি’। তিনি আরও লিখেছেন, ‘সে সময় আমার পাশে কেউ ছিল না। যে সব বন্ধুদের বিশ্বাস করতাম, তাঁরা সব জানত। সব দেখেছিল। তবুও দূরে সরে যায়। কারণ আমি এমন একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, যিনি একজন সুপারস্টার। তিনি কেরিয়ার গড়তে পারেন, আবার ভাঙতেও পারেন’।
সোমি আলি লিখেছেন, ‘ওই জঘন্য মানুষটিকে ভালো বলে দিলে সবাই খুশি হবেন। কিন্তু জেনে রাখুন বন্ধ দরজার আড়ালে যে অত্যাচার আমাকে সহ্য করতে হয়েছে, তা আপনারা কেউ দেখেননি। আমাকে ট্রোল করার আগে জেনে রাখুন আপনাদের কমেন্ট আমি পড়ি না। সে সময় আমার নেই’।
কী লিখেছেন সোমি আলি ?
১৯৯১ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত একাধিক সিনেমায় কাজ করেছিলেন সোমি আলি। মিঠুন চক্রবর্তী থেকে শুরু করে সইফ আলি খান। একাধিক নায়কের সঙ্গে কাজ করেছেন। আট বছর ধরে প্রেম ছিল সলমান খানের সঙ্গে। এই আট বছর তাঁর জীবনের সবথেকে ভয়াবহ দিন ছিল বলে সম্প্রতি সোশ্যাল সাইটে লিখেছেন প্রাক্তন অভিনেত্রী। এর আগে তিনি লিখেছিলেন, ঐশ্বর্য রাইয়ের জন্য সলমান খানের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়। ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবির শ্যুটিং শেষ হওয়ার আগেই তাঁরা ডেট করতে শুরু করেন। সলমানের সঙ্গে প্রেম ভাঙার পর আমেরিকা ফিরে যান সোমি। আর কোনওদিন বলিউড মুখো হননি।
প্রেম চলাকালীন সলমানের হাতে প্রবল অত্যাচারিত হয়েছিলেন তিনি। যা আজও ভুলতে পারেননি। সেই ক্ষোভ সমাজমাধ্যমের পাতায় উগরে দিয়েছেন সোমি। তিনি লিখেছেন, ‘আমাকে পোস্টগুলি সরিয়ে ফেলতে বলা হবে। আমার বিচক্ষণতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। আমি মদ খাই, এইসব লেখা হবে। কিন্তু আপনাদের অত্যাচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি। সেসব আপনাদের ভুগতে হয়নি’। তিনি আরও লিখেছেন, ‘সে সময় আমার পাশে কেউ ছিল না। যে সব বন্ধুদের বিশ্বাস করতাম, তাঁরা সব জানত। সব দেখেছিল। তবুও দূরে সরে যায়। কারণ আমি এমন একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, যিনি একজন সুপারস্টার। তিনি কেরিয়ার গড়তে পারেন, আবার ভাঙতেও পারেন’।
সোমি আলি লিখেছেন, ‘ওই জঘন্য মানুষটিকে ভালো বলে দিলে সবাই খুশি হবেন। কিন্তু জেনে রাখুন বন্ধ দরজার আড়ালে যে অত্যাচার আমাকে সহ্য করতে হয়েছে, তা আপনারা কেউ দেখেননি। আমাকে ট্রোল করার আগে জেনে রাখুন আপনাদের কমেন্ট আমি পড়ি না। সে সময় আমার নেই’।




No comments:
please do not enter any spam link in the comment box